আইনস্টাইনের ভর-শক্তি সমীকরণ E = mc²-এ c দ্বারা কী বোঝায়?
- কশূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ✓
- খবায়ুতে শব্দের বেগ
- গবস্তুর আপেক্ষিক তাপ
- ঘআলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা
• E = mc² সমীকরণে c হলো শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ, যার মান প্রায় ৩ × ১০⁸ মিটার/সেকেন্ড।
• ভর-শক্তি সম্পর্ক:
- E হলো শক্তি এবং m হলো ভর; সমীকরণ দেখায় ভর ও শক্তি পরস্পরে রূপান্তরযোগ্য।
- c-এর মান বিশাল বলে সামান্য ভরের বিনিময়ে বিপুল শক্তি পাওয়া যায়।
- সূর্যের ফিউশন ও পারমাণবিক রিঅ্যাক্টরের ফিশনে ভরের ঘাটতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য প্রদান করেন; শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সব জড় পর্যবেক্ষকের কাছে সমান — এটি সেই তত্ত্বের দ্বিতীয় স্বীকার্য।
• অন্যান্য অপশন:
→ শব্দের বেগ: আলোর বেগের তুলনায় অনেক কম; এই সমীকরণে ব্যবহৃত হয় না।
→ আপেক্ষিক তাপ: তাপ-প্রসঙ্গে ব্যবহৃত ভিন্ন রাশি; এখানে c বলতে সেটি বোঝায় না।
→ তরঙ্গদৈর্ঘ্য: এর প্রতীক λ (ল্যামডা)।
উৎস:
১) পদার্থবিজ্ঞান (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (এনসিটিবি)
২) Encyclopaedia Britannica
পরীক্ষা: সাধারণ বিজ্ঞান
এই বিষয়ের আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে চান?
সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষায় অংশ নিন →