এক্স-রে (X-ray) প্রকৃতিগতভাবে কোন ধরনের বিকিরণ?
- কতড়িৎ-চৌম্বক তরঙ্গ✓
- খদ্রুতগামী ইলেকট্রনের প্রবাহ
- গহিলিয়াম নিউক্লিয়াসের স্রোত
- ঘধনাত্মক আয়নের প্রবাহ
ব্যাখ্যা
• এক্স-রে উচ্চ কম্পাঙ্ক ও ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তড়িৎ-চৌম্বক তরঙ্গ; এটি কোনো আধানযুক্ত কণার প্রবাহ নয়।
• এক্স-রে সম্পর্কিত মৌলিক তথ্য:
- ১৮৯৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী উইলহেলম কনরাড রন্টজেন এটি আবিষ্কার করেন; তাই একে রঞ্জন রশ্মিও বলা হয়।
- এক্স-রে টিউবে দ্রুতগামী ইলেকট্রন ধাতব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করলে এক্স-রে উৎপন্ন হয়; ইলেকট্রন এখানে উৎপাদনের উপায়, রশ্মির প্রকৃতি নয়।
- আধানহীন বলে এটি বৈদ্যুতিক বা চৌম্বক ক্ষেত্রে বেঁকে যায় না।
- শূন্যস্থানে এর বেগ আলোর বেগের সমান।
- হাড়ের ছবি তোলা ও নিরাপত্তা-স্ক্যানিংয়ে এটি ব্যবহৃত হয়।
• অন্যান্য অপশন:
→ দ্রুতগামী ইলেকট্রনের প্রবাহ: এটি ক্যাথোড রশ্মি বা বিটা কণার বৈশিষ্ট্য।
→ হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের স্রোত: এটি আলফা কণা।
→ ধনাত্মক আয়নের প্রবাহ: এটি ক্যানাল রশ্মির বৈশিষ্ট্য।
উৎস:
১) পদার্থবিজ্ঞান (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (এনসিটিবি)
২) Encyclopaedia Britannica
পরীক্ষা: সাধারণ বিজ্ঞান
এই বিষয়ের আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে চান?
সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষায় অংশ নিন →