ইলেকট্রোপ্লেটিংয়ে যে বস্তুর ওপর ধাতব প্রলেপ জমা হয়, সেটি সাধারণত কোন ইলেক্ট্রোডে যুক্ত থাকে?
- কক্যাথোড✓
- খঅ্যানোড
- গলবণ সেতু
- ঘবাহ্যিক রোধ
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রোপ্লেটিংয়ে প্রলেপগ্রহণকারী বস্তুটি সাধারণত ক্যাথোডে যুক্ত থাকে।
• ইলেকট্রোপ্লেটিং:
- তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে একটি বস্তুর ওপর অন্য ধাতুর পাতলা প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলা হয়।
- প্রলেপগ্রহণকারী বস্তুটিকে ক্যাথোডে রাখা হয়।
- প্রলেপদায়ী ধাতু অনেক ক্ষেত্রে অ্যানোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ইলেকট্রোলাইটে প্রলেপদায়ী ধাতুর আয়ন থাকে।
• ক্যাথোডে প্রলেপ জমা:
- ধাতব ধনায়ন ক্যাথোডের দিকে আকৃষ্ট হয়।
- ক্যাথোডে এসে ধাতব আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিরপেক্ষ ধাতুতে পরিণত হয়।
- এই ধাতব কণাগুলো প্রলেপগ্রহণকারী বস্তুর পৃষ্ঠে জমা হয়।
- ফলে বস্তুটির ওপর ধাতুর আবরণ তৈরি হয়।
• ব্যবহার:
- ইলেকট্রোপ্লেটিং ক্ষয়রোধ, সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পৃষ্ঠের গুণ উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।
- নিকেল, ক্রোমিয়াম, রূপা ও সোনার প্রলেপ বাস্তব কাজে ব্যবহৃত হয়।
• অন্যান্য অপশন:
→ অ্যানোড: অ্যানোড অনেক ক্ষেত্রে প্রলেপদায়ী ধাতুর উৎস হিসেবে কাজ করে।
→ লবণ সেতু: লবণ সেতু গ্যালভানিক কোষে আয়নিক ভারসাম্য রক্ষায় ব্যবহৃত হয়।
→ বাহ্যিক রোধ: বাহ্যিক রোধ তড়িৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত।
উৎস:
১) রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি,
২) Britannica,
৩) Science Expert, Live Publications.
পরীক্ষা: সাধারণ বিজ্ঞান
এই বিষয়ের আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে চান?
সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষায় অংশ নিন →