সাধারণ জ্ঞানবাংলাদেশ: ইতিহাস, ভূগোল ও জলবায়ু
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রাম – এ কয়টি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
- ক৪টি✓
- খ৫টি
- গ৬টি
- ঘ২টি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) ৪টি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রাম সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক ভূমিকা:
বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজে ব্যবহৃত মনোগ্রাম জাতীয় পরিচয় বহন করে। এটি সরকারের প্রতীক হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন সরকারি নথিপত্র, অফিসিয়াল স্টেশনারি, সরকারি যানবাহন ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। মনোগ্রামের নকশা ও চিহ্নগুলো রাষ্ট্রীয় ঐক্য ও পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— মনোগ্রামটি মূলত একটি গোলাকার চক্রের মধ্যে অবস্থিত। এই চক্রের উপরের অংশে বাংলা ও ইংরেজিতে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" লেখা থাকে।
— চক্রের ভেতরে অবস্থিত চারটি তারকা চিহ্ন বাংলাদেশের চারটি প্রধান প্রশাসনিক বিভাগকে প্রতিনিধিত্ব করে। বিভাগগুলো হলো: চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা।
— তারকা চিহ্নগুলো সমান দূরত্বে বিন্যস্ত থাকে এবং প্রতিটি তারকা পাঁচটি প্রান্ত বিশিষ্ট।
— মনোগ্রামটির নকশা সর্বপ্রথম প্রস্তাবিত হয় ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পরপরই। পরবর্তীতে সরকারি ভাবে এটি গৃহীত হয়।
— মনোগ্রামটির নকশা প্রণয়ন করেন বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মরত শিল্পী ও ডিজাইনারগণ।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ খ) ৫টি: বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগের সংখ্যা ছিল মূলত চারটি (চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা)। পরবর্তীতে বিভাগ পুনর্গঠনের ফলে বিভাগের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও মনোগ্রামে তারকা চিহ্নের সংখ্যা পরিবর্তন করা হয়নি।
✗ গ) ৬টি: মনোগ্রামে তারকা চিহ্নের সংখ্যা ছয়টি নয়। এটি মূলত চারটি বিভাগকে প্রতিনিধিত্ব করে।
✗ ঘ) ২টি: মনোগ্রামে তারকা চিহ্ন দুইটি নয়। এটি চারটি বিভাগের প্রতীক হিসেবে চারটি তারকা চিহ্ন বহন করে।
উৎস:
— বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.pid.gov.bd)
— বাংলাদেশ সরকারের অফিসিয়াল মনোগ্রাম ও প্রতীক সম্পর্কিত সরকারি বিজ্ঞপ্তি (১৯৭২ সালের সরকারি আদেশ)
— "বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক ও মনোগ্রাম" শীর্ষক সরকারি প্রকাশনা (তথ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার)
পরীক্ষা: ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন সমাধান (স্কুল পর্যায় -২)
এই বিষয়ের আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে চান?
NTRCA জব সল্যুশন পরীক্ষায় অংশ নিন →