সাধারণ জ্ঞানসভ্যতা, সংস্কৃতি ও বিখ্যাত স্থান
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি কে?
- কহামিদুর রহমান✓
- খশামীম শিকদার
- গআমিনুল ইসলাম
- ঘনিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ক) হামিদুর রহমান
**কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার সম্পর্কিত ভূমিকা:**
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও ভাষা আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি শহিদদের স্মরণে নির্মিত হওয়ায় এর স্থাপত্য ও নকশা অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি হিসেবে পরিচিত ব্যক্তি হলেন হামিদুর রহমান।
---
**হামিদুর রহমান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— হামিদুর রহমান (১৯২৫–১৯৮৮) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী স্থপতি ও ভাস্কর।
— তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের নকশা প্রণয়ন করেন।
— তার নকশায় শহিদ মিনারের মূল গঠনটি ছিল তিনটি স্তম্ভ বিশিষ্ট, যা শহিদদের তিনটি স্তরের সংগ্রামকে নির্দেশ করে।
— কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৫৭ সালে এবং এটি উদ্বোধন করা হয় ১৯৬৩ সালে।
— হামিদুর রহমানের স্থাপত্যকর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন ও কার্জন হলের নকশা।
— তিনি বাংলাদেশের স্থাপত্য শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং তার কাজগুলো দেশের স্থাপত্য ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
---
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ খ) শামীম শিকদার: তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী ছিলেন, কিন্তু কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি ছিলেন না। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভাস্কর্য।
✗ গ) আমিনুল ইসলাম: তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ছিলেন, কিন্তু স্থাপত্যের সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল না। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি হিসেবে তার নাম যুক্ত নয়।
✗ ঘ) নিতুন কুণ্ডু: তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর ছিলেন, বিশেষ করে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভাস্কর্যের জন্য পরিচিত। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি হিসেবে তার নাম যুক্ত নয়।
---
উৎস:
— বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কর্তৃক প্রকাশিত "শহিদ মিনার: ইতিহাস ও ঐতিহ্য" নামক গ্রন্থ।
— বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত "ঢাকার স্থাপত্য ঐতিহ্য" নামক প্রকাশনা।
— ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক (স্কুল পর্যায়)।
এই বিষয়ের আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে চান?
NTRCA জব সল্যুশন পরীক্ষায় অংশ নিন →