কীসের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়?
- কপ্রতিফলন
- খপ্রতিধ্বনি✓
- গপ্রতিসরণ
- ঘপ্রতিসরণাঙ্ক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) প্রতিধ্বনি
সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করার জন্য বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত ও কার্যকর পদ্ধতি হলো **প্রতিধ্বনি পদ্ধতি (Echo Sounding)**। এই পদ্ধতিতে শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে সমুদ্রের তলদেশের দূরত্ব পরিমাপ করা হয়।
**প্রতিধ্বনি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— প্রতিধ্বনি হলো কোনো শব্দ তরঙ্গ যখন কোনো বাধার সম্মুখীন হয়ে উৎসের দিকে ফিরে আসে, তখন তাকে প্রতিধ্বনি বলে। এটি মূলত শব্দের প্রতিফলনের একটি বিশেষ ঘটনা।
— সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য একটি শব্দ তরঙ্গ সমুদ্রের তলদেশে প্রেরণ করা হয়। এই তরঙ্গ যখন তলদেশে বাধা পেয়ে ফিরে আসে, তখন তাকে গ্রহণ করা হয়।
— শব্দ তরঙ্গের যাওয়া ও আসার সময়ের পার্থক্য থেকে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়। সাধারণত, সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৫০০ মিটার ধরা হয়।
— প্রতিধ্বনি পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে সমুদ্রের গভীরতা নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়, যা নৌচালনা, সামুদ্রিক গবেষণা এবং মানচিত্র তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:
✗ ক) প্রতিফলন: প্রতিফলন হলো আলোক তরঙ্গ বা শব্দ তরঙ্গ যখন কোনো তলে বাধা পেয়ে ফিরে আসে। তবে এটি সরাসরি সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
✗ গ) প্রতিসরণ: প্রতিসরণ হলো আলোক তরঙ্গ বা শব্দ তরঙ্গ যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে তার দিক পরিবর্তন করে। এটি সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
✗ ঘ) প্রতিসরণাঙ্ক: প্রতিসরণাঙ্ক হলো কোনো মাধ্যমের প্রতিসরণ ক্ষমতা পরিমাপের একটি ধ্রুবক। এটি সরাসরি সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
উৎস:
— পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন পাঠ্যপুস্তক (যেমন: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান)
— সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক গবেষণা বিষয়ক বই (যেমন: "Introduction to Oceanography" by Paul R. Pinet)
— বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান (যেমন: ১০ম শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন সমাধান)
পরীক্ষা: ১০ত ম শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন সমাধান (স্কুল পর্যায়-২)
এই বিষয়ের আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে চান?
NTRCA জব সল্যুশন পরীক্ষায় অংশ নিন →