সাধারণ জ্ঞানদৈনন্দিন বিজ্ঞান: পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়?
- কপেট্রোল
- খকয়লা
- গপ্রাকৃতিক গ্যাস
- ঘবায়োগ্যাস✓
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) বায়োগ্যাস
জীবাশ্ম জ্বালানি সম্পর্কিত প্রাথমিক ধারণা:
জীবাশ্ম জ্বালানি হলো প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট জ্বালানি যা কয়েক মিলিয়ন বছর ধরে ভূগর্ভস্থ মৃত জীবদেহের পচন ও রূপান্তরের ফলে তৈরি হয়। এই জ্বালানিগুলো প্রধানত কার্বন ও হাইড্রোজেন সমৃদ্ধ যৌগ দ্বারা গঠিত এবং পৃথিবীর শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ হিসেবে কয়লা, পেট্রোলিয়াম (যেমন পেট্রোল), প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে, বায়োগ্যাস হলো একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যা জৈব পদার্থের অবাত পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন হয়।
জীবাশ্ম জ্বালানি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— **উৎপত্তি**: জীবাশ্ম জ্বালানি প্রধানত প্রাচীন উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশেষ থেকে তৈরি হয়, যা ভূগর্ভস্থ উচ্চ চাপ ও তাপের প্রভাবে রূপান্তরিত হয়ে কয়লা, তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসে পরিণত হয়।
— **প্রধান ধরন**:
— **কয়লা**: উদ্ভিদজাত পদার্থ থেকে তৈরি কঠিন জ্বালানি, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
— **পেট্রোলিয়াম**: তরল জীবাশ্ম জ্বালানি, যা বিভিন্ন উপজাত যেমন পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন ইত্যাদিতে বিভক্ত।
— **প্রাকৃতিক গ্যাস**: গ্যাসীয় অবস্থায় পাওয়া জীবাশ্ম জ্বালানি, প্রধানত মিথেন গ্যাস দ্বারা গঠিত, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গৃহস্থালির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
— **ব্যবহার**: জীবাশ্ম জ্বালানি বিশ্বের প্রায় ৮০% শক্তির চাহিদা পূরণ করে, তবে এর ব্যবহারের ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমনের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
— **পরিবেশগত প্রভাব**: জীবাশ্ম জ্বালানির দহনের ফলে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস বিশ্ব উষ্ণায়নে অবদান রাখে, যার ফলে পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যার সৃষ্টি হয়।
বায়োগ্যাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:
— **উৎপত্তি**: বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয় জৈব পদার্থ যেমন গোবর, কৃষির অবশিষ্টাংশ, পৌর বর্জ্য ইত্যাদির অবাত পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এই প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়া দ্বারা জৈব পদার্থ ভেঙে গিয়ে মিথেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের মিশ্রণ তৈরি হয়।
— **উপাদান**: বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন (CH₄) প্রায় ৫০-৭৫%, কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) প্রায় ২৫-৫০%, এবং সামান্য পরিমাণে হাইড্রোজেন সালফাইড (H₂S), নাইট্রোজেন (N₂) ও অন্যান্য গ্যাস।
— **ব্যবহার**: বায়োগ্যাস প্রধানত রান্নার জ্বালানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন, এবং যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
— **পরিবেশগত সুবিধা**: বায়োগ্যাস ব্যবহারের ফলে জীবাশ্ম জ্বালান
এই বিষয়ের আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে চান?
NTRCA জব সল্যুশন পরীক্ষায় অংশ নিন →