বাংলা ভাষা ও সাহিত্যসাহিত্য: প্রাচীন যুগ
‘তৈল’ প্রবন্ধটি লিখেছেন –
- কসুকুমার রায়
- খরমেশচন্দ্র মজুমদার
- গশিবনারায়ণ রায়
- ঘহরপ্রসাদ শাস্ত্রী✓
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (ঘ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
‘তৈল’ প্রবন্ধটি প্রাচীন বাংলার জনপদ ও অর্থনৈতিক ইতিহাস সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা। এই প্রবন্ধটি বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থা, বিশেষ করে তেল উৎপাদন ও ব্যবহারের ইতিহাস তুলে ধরে।
**হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক, ইতিহাসবিদ ও সংস্কৃত পণ্ডিত।
— জন্ম: ৬ ডিসেম্বর ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে।
— তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংস্কৃত ও বাংলায় এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
— তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন পুঁথি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। তার উল্লেখযোগ্য আবিষ্কারের মধ্যে রয়েছে চর্যাপদ।
— তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও সংস্কৃতির উপর অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।
— তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ: *বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস*, *হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা*, *বৌদ্ধধর্ম ও বাংলা সাহিত্য* ইত্যাদি।
— তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন।
— মৃত্যু: ১৭ জানুয়ারি ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায়।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) সুকুমার রায়: তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক ও ব্যঙ্গচিত্রশিল্পী। তার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে *আবোল তাবোল*, *হেশোরাম হুঁশিয়ার* ইত্যাদি। তিনি ‘তৈল’ প্রবন্ধটি লেখেননি।
✗ খ) রমেশচন্দ্র মজুমদার: তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো *প্রাচীন ভারতের ইতিহাস*, *ভারতের ইতিহাস* ইত্যাদি। তিনি ‘তৈল’ প্রবন্ধটি লেখেননি।
✗ গ) শিবনারায়ণ রায়: তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও অনুবাদক। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো *বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস*, *ভারতীয় সাহিত্যের ইতিহাস* ইত্যাদি। তিনি ‘তৈল’ প্রবন্ধটি লেখেননি।
উৎস:
— *বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস* – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
— *বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস* – সুকুমার সেন
— *বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস* – অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
পরীক্ষা: ৪৬তম বিসিএস প্রশ্ন সমাধান | 46th BCS Question Solution
এই বিষয়ের আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে চান?
বিসিএস জব সল্যুশন (১০ তম থেকে ৫০ তম) পরীক্ষায় অংশ নিন →