ব্যাখ্যা
•
Precision Agriculture
হল এমন একটি আধুনিক কৃষি পদ্ধতি যা ফসলের উৎপাদন
,
জমির স্বাস্থ্য এবং কৃষি সম্পদ কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনা করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
এই ক্ষেত্রে ইনফ্রা রেড ইমেজিং
, IoT
ও সেন্সর এবং তার মাধ্যমে সম্পন্ন নেটওয়ার্ক মূল ভূমিকা রাখে। ইনফ্রা রেড ইমেজিং-এর মাধ্যমে ফসলের জল
,
পুষ্টি এবং রোগের অবস্থা নির্ণয় করা যায়।
IoT
ডিভাইস এবং সেন্সর জমির আর্দ্রতা
,
তাপমাত্রা ও অন্যান্য পরিবেশগত তথ্য সংগ্রহ করে। এই তথ্যগুলি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে রিয়েল-টাইম ডেটা প্রদান করে
,
যা কৃষককে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। অন্যদিকে
OLED
ডিসপ্লে সরাসরি
Precision Agriculture-
এ ব্যবহৃত হয় না।
–
তবে
,
সঠিক উত্তর হিসেবে –
[
আই.ও.টি (
IoT),
সেন্সর] নেয়া হয়েছে।
–
মাঠে স্থাপিত সেন্সরগুলো মাটি
,
পানি
,
আর্দ্রতা
,
তাপমাত্রা
,
এবং পুষ্টি উপাদানের তথ্য সংগ্রহ করে। এই ডেটা রিয়েল-টাইমে কৃষকদের কাছে পৌঁছে এবং তারা সেই অনুযায়ী সেচ
,
সার প্রয়োগ বা অন্যান্য ব্যবস্থা নিতে পারে। ফলে উৎপাদন বাড়ে
,
পরিবেশ দূষণ কমে এবং খরচ সাশ্রয় হয়।
Precision Agriculture-
এ শুধু সেন্সর নয়
, IoT-
এর মাধ্যমে এই ডেটা সংযুক্ত থাকে
,
যা স্বয়ংক্রিয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।
উত্তর: খ)
IoT,
সেন্সর।
•
অপশন আলোচনা:
ক) ইনফ্রা রেড ইমেজিং: মাটি ও ফসলের স্বাস্থ্য ও আর্দ্রতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত।
খ) আই.ও.টি (
IoT),
সেন্সর: মাটির আর্দ্রতা
,
তাপমাত্রা
,
পুষ্টি পরিমাপের জন্য প্রধান প্রযুক্তি। (সঠিক উত্তর)।
গ) তার মাধ্যম সম্পন্ন নেটওয়ার্ক: সেন্সর ও ডিভাইসগুলোর ডেটা সংযোগ ও ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত।
ঘ) ও.এল.ই.ডি (OLED) ডিসপ্লে: মূলত ডিসপ্লে বা প্রদর্শনের জন্য, কৃষি প্রযুক্তিতে সরাসরি প্রয়োগ কম।
•
ইন্টারনেট অফ থিংস (
Internal of things – IoT):
– ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
– এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
– এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
– IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।
•
IoT
এর উদাহরণ:
– স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
– ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
– শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।
উৎস: – UNDP
[link]
– digi
[link]
– Britannica
[link]