গণিতজ্যামিতি: ক্ষেত্রফল ও বৃত্তের ধারণা
একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১২ সে.মি. হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.
- ক৪৮
- খ৩৬✓
- গ৫৬
- ঘ৭২
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (খ) ৩৬
**সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ সম্পর্কিত ভূমিকা:**
জ্যামিতিতে সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ একটি বিশেষ ধরনের ত্রিভুজ যেখানে দুটি বাহু সমান এবং একটি কোণ সমকোণ (৯০°)। এই ধরনের ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট সূত্র ও ধর্ম রয়েছে।
**সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:**
— সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের দুটি সমান বাহুকে লম্ব (a) এবং ভূমি (b) হিসেবে ধরা হয়, যেখানে a = b।
— অতিভুজ (c) হলো সমকোণের বিপরীত বাহু, যা পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে নির্ণয় করা যায়: c = √(a² + b²)।
— যেহেতু a = b, অতিভুজ c = √(2a²) = a√2।
— ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র: ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা = (১/২) × a × a = (a²)/২।
**প্রশ্নের সমাধান:**
— প্রদত্ত অতিভুজ c = ১২ সে.মি.।
— অতিভুজ c = a√2 ⇒ ১২ = a√2 ⇒ a = ১২/√2 = ৬√২ সে.মি. (√২ দ্বারা ভাগ করে সরলীকরণ করা হয়েছে)।
— ক্ষেত্রফল = (a²)/২ = (৬√২)² / ২ = (৩৬ × ২) / ২ = ৭২ / ২ = ৩৬ বর্গ সে.মি.।
**বিভ্রান্তিকর বিকল্প বিশ্লেষণ:**
✗ ক) ৪৮: এই মানটি পাওয়া যায় যদি অতিভুজকে সরাসরি ভূমি হিসেবে বিবেচনা করে ক্ষেত্রফল নির্ণয় করা হয়, যা ভুল।
✗ গ) ৫৬: এটি একটি অসংলগ্ন মান, যা কোনো সূত্র বা গণনার সাথে সম্পর্কিত নয়।
✗ ঘ) ৭২: এটি অতিভুজের দৈর্ঘ্যকে ক্ষেত্রফল হিসেবে বিবেচনা করার ভুল ধারণা থেকে উদ্ভূত।
উৎস:
— জ্যামিতির মৌলিক সূত্র ও পিথাগোরাসের উপপাদ্য (৯ম-১০ম শ্রেণির গণিত পাঠ্যপুস্তক)।
— মাধ্যমিক গণিত বই, বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড।
— ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র (কলেজ পর্যায়)।
এই বিষয়ের আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে চান?
NTRCA জব সল্যুশন পরীক্ষায় অংশ নিন →